প্রেমে ব্যার্থ হয়ে ভাবছেন আপনার থেকে কষ্টে দুনিয়ার আর কেউ নেই। একদিন না খেয়ে থেকে দেখুনতো কেমন লাগে? না খেয়ে থাকার কষ্টটা একটু হলেও বুঝবেন আর বুঝবেন আপনার পাশের মানুষগুলোর কষ্ট যারা না খেয়ে রয়েছে :)
Daridrer Ovidhan
দারিদ্রের অভিধান!
ভাত রুটির কথা
ক্ষিধের অবসানের স্বপ্ন
শেষ বিকেলটায় সামনে প্রচুর খাবার নিয়ে ইফতারের জন্য অপেক্ষা। ইফতার শেষে অর্ধেক খাবার ডাস্টবিনে চলে গেল। তবে রাস্তার ওই শিশুটির জন্য এটা খুবি আনন্দের। রোজার মাসটায় ডাস্টবিনে বেশ ভালো খাবারই মেলে।
তুমুল বৃষ্টির মধ্যেও তিনি ওখানেই বসে আছেন। কেন জিজ্ঞেস করছেন? খুবই সহজ! তার যে দুটো পা ই নেই। আমরা কি করছি? এটাতো আরও সহজ! আমরা দাঁড়িয়ে দাড়িয়ে দেখছি।
না না আমরা কি করে সাহায্য করবে তাকে ছাউনির নিচে নিয়ে যেতে? বৃষ্টিতে ভিজলে আমাদের যে অসুখ করবে। উনি ভিজুক ওনাদের তো অসুখ স্পর্শ করে না।
না না আমরা কি করে সাহায্য করবে তাকে ছাউনির নিচে নিয়ে যেতে? বৃষ্টিতে ভিজলে আমাদের যে অসুখ করবে। উনি ভিজুক ওনাদের তো অসুখ স্পর্শ করে না।
যদি কখোনো কেউ বিপদে পরে তখন তুমি তাকে সাহায্য করতে না পারলেও কার কাছে গেলে সাহায্য পেতে পারে সেই তথ্য বা পরামর্শ দেও এতে তুমি তাকে সাহায্যের চেয়ে কম করলে না।
আপনার শহুরে চেনা মুখগুলোর দিকে তাকিয়ে দেখুন।
খেয়াল করে দেখুন, তারা দুঃখ লুকিয়ে কিভাবে হাসে!!
মানুষ বড্ড ভান করতে শিখে গেছে!! ব্যাথাতুর মুখেও কি সুকৌশলে হাসি এনে রাখে তারা। আপনার চিরচেনা মানুষটাও হয়তো পাহাড় সম কষ্ট বয়ে চলেছেন নিত্যদিন। কিন্তু আপনার কাছে সে কষ্টের কথা অজানাই থেকে যায়। মানুষ বড্ড অভিনয় শিখে গেছে। সে তার ভাগ্যকে সান্ত্বনা দিতে শিখে গেছে।
সভ্য
-আদনান নীল
মোরগ, পোলাও, রোস্টও আছে
তবুও তোমার বায়না
মোড়ের ধারের ঐ ছেলেটা
শুকনো রুটিও পায়না
হাজার টাকার জামা পড়েও
শান্তি তোমার হয়না
একশ' টাকার গেঞ্জি পেলেও
হাসি যে তার যায় না
তোমরা থাকো অট্টালিকায়
কষ্ট কি আর বুঝবে
বুঝতে যদি বৃষ্টি, রোদ আর
শীতের সাথে যুঝতে
ডাস্টবিনেতে ফেলবে খাবার
তবুও তাদের দেবেনা
সভ্য তুমি নামে শুধুই
মানুষ কভুও হবেনা।।
-আদনান নীল
মোরগ, পোলাও, রোস্টও আছে
তবুও তোমার বায়না
মোড়ের ধারের ঐ ছেলেটা
শুকনো রুটিও পায়না
হাজার টাকার জামা পড়েও
শান্তি তোমার হয়না
একশ' টাকার গেঞ্জি পেলেও
হাসি যে তার যায় না
তোমরা থাকো অট্টালিকায়
কষ্ট কি আর বুঝবে
বুঝতে যদি বৃষ্টি, রোদ আর
শীতের সাথে যুঝতে
ডাস্টবিনেতে ফেলবে খাবার
তবুও তাদের দেবেনা
সভ্য তুমি নামে শুধুই
মানুষ কভুও হবেনা।।
যারা শুয়ে আছে তোমার হাটার পথে, ড্রেনের উপরে যাদের রাত্রিজাপন, তাদের জন্য কি একটুও সহানুভুতি নেই তোমার অন্তরে? আমি বিস্বাস করি , আছে।। তাহলে , তোমার মনের দুয়ার খোলো।। আসো এক হই ।। চলো যোগ দেই হাসির যাত্রায় Join Journey To Smile
যারা লিখবে। লেখার উৎসাহ দিবে। শেয়ার করবে। অন্যদের সম্মান করতে জানবে। হাসির যাত্রার হাল ধরতে পারবে। সর্বোপরি বড় ও উদার মনের, বড় মানসিকতার পরিচয় দিতে জানবে এমন ১৯ জনকে নিয়ে হোক আমাদের প্রথম যাত্রা। প্রথম অধ্যায়
সেদিন জ্যামটা একটু বেশিই ছিল। মিরপুর হয়ে মতিঝিল যাচ্ছিলাম তখন। ঝিঝি ডাকা দিন। দুপুর রোদ। গায়ে গায়ে লাগোয়া গাড়ির সারি। মানুষ হাটতে হাটতেই বাসে উঠছে এবং নামছে। ঘামছি কেবল। গলে যাচ্ছি ঘামে। বিরক্ত সময়। মানুষের কোলাহল। বাসের আর্তনাদ। সবার চোখে মুখে বিরক্তি। ভ্রু কুচকানো চাহুনি সবার।কথার সুরে চরম হতাশা। ভাইরে এ দেশটা আগাবে ক্যামনে!! গাড়িই তো আগাচ্ছে না!!
এমনি দিনের একটা স্মৃতি আজও মনে আছে। একদম স্পস্ট। জ্বলজ্বলে। গাড়ি থামবে তো হকার উঠবে না!! ভিক্ষুক উঠবে না!! এটা কল্পনাও করতে ভয় পায় আজব এ শহরের মানুষ। কারওয়ান (অনেকে কাওরান ও বলে থাকে) বাজার এলাকার অদুরে প্যান প্যাসিফিকের পাশে গাড়ি দাড়ানো। হাতিরঝিলের নিঃশ্বাসের গন্ধ নাকে ঠেকিয়ে তাকিয়ে আছি অভিজাতদের আড্ডাখানা হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও এর দিকে।
একজন ভিক্ষুক উঠল বুঝি আমাদের বাসে! লাঠি ভর করে। অন্ধ। স্বাস্থ্য ভালো। পোষাক বলতে লুঙ্গি, রোদে পোড়া খয়েরি রং এর পাঞ্জাবি আর মাথায় টুপি। ভুল প্রমান করলো সে। সে আদতে ভিক্ষার জন্য আসে নি। এসেছিলো কিছু পসরা নিয়ে। কাঠপেন্সিল, সার্পনার আর কলম। সালাম দিলো, সুন্দর ব্যাবহার, স্পস্ট কথা, ভদ্রতা। আমি অন্ধ মানুষ, সংসার আছে, আছে বিবি বাচ্চা, আমাদের আছে ক্ষুধার পেট, দানবের মতো ক্ষুধা, আছে রোগ - শোক। কিছু কাঠপেন্সিল, সার্পনার আর কলম এনেছি, ভালো ব্রান্ড, ভালো পন্য, বেশি কতগুলো নিলে একটু কমিয়েও রাখবো, আপনাদের বাচ্চাদের জন্য বা স্টুডেন্টকে গিফট করার জন্য নিতে পারেন চাইলে। ভিক্ষা নিবো না গো, সম্মানে বাচতে চাই।
অবাক করা ব্যাপার, কেউ তার সকরুন সুর শুনলো না যেন। আমি চিন্তা করেছি কিনবো, মনছবি দেখেছি আমার স্টুডেন্ট সিহানকে গিফট হিসেবে দেয়া যাবে এ পেনসিল বা কলম, কিন্তু টানাটানির পকেট, মতিঝিল থেকে ৩০ টাকার রিকশা পথ হেটে যেতে হবে। বাসায় ফিরতে হবে আত্মীয়ের থেকে ভাড়ার টাকা চেয়েই।
আহারে দুনিয়া, হায়রে দুনিয়া। হাস্য মুখটা মলিন হলো তার। ব্যাথাতুর অন্তর নিয়েই ফিরে যাচ্ছে অন্ধ মানুষটি। লজ্জা এবং অপরাধবোধ নিয়ে তার ফিরতি পথের মুখের দিকে তাকিয়েছিলাম ক্ষণকাল। ভাবনার কালো ছায়া সে মুখে। এভাবে হচ্ছে না। এভাবে হবে না। নিশ্চয়ই তার সন্তানদুটি অপেক্ষায় আছে, কখন ফিরবে বাবা? কখন আনবে দুটি সস্তা চকলেট। বাবা ফিরবে হয়তো, ফিরবে হতাশা নিয়ে, ফিরবে বাচ্চাদের কাছে একরাশ লজ্জা নিয়ে, হয়তো তাকাতে পারবে না তার বিবির মুখের দিকে, লজ্জায় নির্বাক থাকবে। গুমরে কাঁদবে তার অন্তর। হায়রে সমাজ। নিঠুর সমাজ।
নাহ বেশিক্ষণ না, একটু বাদেই আরেকজন। ইনি একজন মহিলা, মায়ের জাত, এদের প্রতি মানুষের সহমর্মিতা একটু বেশিই। অন্ধর থেকেও কষ্টেসৃষ্টে বাসে উঠলেন ইনি। বয়স আন্দাজে ৪০। হাতে একটা প্লাস্টিক পলি ফাইল। বেশ কিছু কাগজ তাতে। ইনি নাকি ক্যান্সার রোগী!!! ফাইলই তার প্রমান। কারো মাথায় হাত রাখেন, কারও কাধে, কাউকে আবার আঙুল দিয়ে হাতের ডানায় খোচা দেন। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন কাঙ্খিত মানুষটির চোখে। চোখে তার আকুল আকুতি। যাত্রীরা এবার নড়েচড়ে বসল। উথলে উঠল অন্তরের সব মায়া। এ যেন যাদু!! ৫, ১০ লেখা ব্যাংক নোট দেখলাম কয়েকজনের হাতে। তাতে এও লেখা আছে “চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে।”
মাত্র দের কি ২ মিনিট। মায়ের কারবার শেষ। এবার তিনি নামবেন। খেয়াল করি এবারও। কিন্তু কিছুটা কি ব্যাতিক্রম হলো!! ওঠা আর নামার মাঝে কিছুটা পার্থক্য দেখলাম যেন!! টাকা পেয়ে কি তার তাকত বেড়ে গেল? টাকার গন্ধই কি তার ক্যান্সারের প্রতিষেধক? তিনি নামলেন। কিছুটা স্বাভাবিক ভাবেই। বাস কিন্তু তেমন আগাচ্ছে না। জানালার কাচ আমার চোখকে আটকাতে পারে নি। আরেকটু কৌতুহল হয়ে। তাকিয়েই থাকি। ফুটপাথে সে। এখন সে হনহন হয়ে হাটছে।
সুকুমার বাবুর একটা কবিতা মনে পড়ল,
চলে হনহন. ছোটে পনপন. ঘোরে বনবন. কাজে ঠনঠন. আহারে জীবন. (রয় বাবুর অনুমতি নিয়ে শেষটুকু আমিই এ্যাড করলাম)
জীবনে অনেক ক্যান্সার রোগী দেখলাম রে খোদা। সুফিয়া বু মরলো এতে (অন্য একদিন শুনাবো তার কথা)। আমার এক প্রিয় মামি হারিয়ে গেলেন এ রোগে। আমাদের মাইনুল ও নেই এর অত্যাচারে। বহু ধরনের ক্যান্সার আছে। আছে সেগুলোর প্রতিষেধকও। কিন্তু আজব প্রতিকারক আজ প্রথম দেখলাম। টাকা। মানিক ভাই তার গানে বলেছিলো “বাস্টার্ড টাকা, ননসেন্স টাকা, কালপ্রিট টাকা।” ওনাকে আমার সত্যবাদীই মনে হচ্ছে আজ।
এখন প্রশ্ন হলো সেই মা এমনটা কেন করলেন? কে শেখালো? কে বাধ্য করলো তাকে? দোষটা কাদের?
আমি যদি বলি দোষটা আমাদেরই, তাহলে কি আপনি রেগে যাবেন!!! আমরাই এটা শেখাচ্ছি, বাধ্য করছি। এমন বললে কি আমাকে ভুল বলবেন!!!
ফ্লাসব্যাকে যান, সেই খেটে খাওয়া ভাইয়ের প্রতি কিন্তু আমরা উদাসিন ছিলাম তখন। তার সৎ চেষ্টাটাকে আমরা মূল্যায়ন করিনি। এটা কি তাকে অভিনয়ের সাথে ভিক্ষা করতে উদ্বুদ্ধ করবে না? সাক্ষী হিসেবে কয়েকটা প্রেশক্রিপশনই তো যথেষ্ট, তাইনা? ভুয়া ডাক্তারের ছড়াছরি আজ, ভুয়া প্রেশক্রিপশন তো দুধভাত।
বয়সের ভারে ন্যূজ মানুষটি, যাকে আমরা বৃদ্ধ বলি, কষ্ট সয়ে বাসের হ্যান্ডেল ধরে দাড়িয়ে যাত্রা তার। তখন আমরা চোখকানা। অথচ একটি সুন্দরী ললনা দাড়িয়ে থাকলে তখন আমাদের চেতনায় হু হু করে বাতাস বয়। বৃদ্ধ দাড়িয়েই যাবে অার ললনা পাবে বসার অধিকার, কেন? জয়তু চেতনা, যয়তু মানব – দানব, যয়তু মনুষ্যত্ব।
অাপনার অন্তর যদি দয়াদ্র হয়, গরীবদের দুঃখগুলোতে যদি আঙুল বুলিয়ে দেখার ইচ্ছা থাকে আপনার, তাহলে আসুন
- আমরা এক হই।
- আমরা সচেতন হই।
- সচেতন করি সবাইকে।
- অন্য সবার ভেতরের ঘুমিয়ে থাকা দরদটাকে জাগিয়ে তুলি।
- মানুষের দুঃখগুলোকে অনুভব করি চলুন।
- মানুষে মানুষে ভেদাভেদ না থাকুক।
- সব প্রাণ হোক অভিন্ন।
লিখতে পারেন এখানেও। যোগাযোগ করুন আমার সাথে 01521 312023 নাম্বারে। অথবা আমাকে ইনবক্স করুন ফেসবুকে
ধন্যবাদ
যারা মনে করে সুখ তাদের পকেটে গোছগাছ করে রাখা টাকা গুলোর মধ্যেই আবদ্ধ থাকে, তারা ভুলের মধ্যে আছে। আমাদের চাওয়া পাওয়া কি টাকা-পয়সা, গাড়ী- বাড়ী, আরাম আয়েশে সীমাবদ্ধ?যার এসব কিছু নেই সে কি বেঁচে নেই? সে ও বেঁচে থাকে।
পার্থক্য শুধু একটি জায়গায় - আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে দিন কাটাচ্ছেন, আর সে থাকে কষ্টে।
যারা দু'বেলা অনাহারে দিন পার করে, আমরা কিন্তু পারি সামান্য কিছু খাবার দিয়ে তাদের একটু হাঁসির কারন হতে। চাইলে অামরাও পারি কনকনে শীতে কাতরে ওঠা দেহটিকে শীতপোষাকে জড়িয়ে, তার উষ্ণতার কারন হতে। হ্যা আমরাও পারি!! আমার না থাকলেও আমাদের সামর্থ্য তো অবশ্যই আছে। তবুও আমরা করি না। আমরা দেখেও না দেখার ভান করি, বা অদৌ দুঃখিদের দুঃখনামা অধ্যায়ে চোখ বুলাই না। এ লজ্জা আমাদের। আমাদের সবার।
আমাদের সাহায্যের পথ চেয়ে যাদের অপেক্ষা, আসুন আমরা তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। শুধু মাত্র কিছু সময়ের জন্য মায়া দেখিয়ে নয়। আমরা কেন তাদেরকে আমাদের করুণারপাত্র বানাবো বলুন?
আপনি বা আমি কি কখনো চাইব, আমরা কারো করুণায় বাঁচি? যেখানে ওই মানুষগুলো আমাদের থেকে করুণা আশা করেনা। তারাও চায় আমাদের মত করেই বাঁচতে। আর তাদের হাসিমুখ দেখার জন্য কিন্তু আমাদের সর্বোপরি বিলিন করতে হবে না।
আমরা আমাদের এবং আমাদের প্রিয় মানুষগুলোর চাওয়া পূরণ করতে কি না করি!! আমরা একটু যদি মন থেকে চাই তাহলে ঐ মানুষগুলোর জন্য ভালো কিছু করতে পারব। কিন্তু একা কিছু করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে চেষ্টা করি তাহলে অনেক অসম্ভবকেও আমরা সম্ভব করতে পারব। ঐক্যতা যেখানে, সফলতা সেখানে নিশ্চিত। তাহলে চলুন আমরা তাদের হাত ধরি, তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াই।
২৬ জুন ২০১৭ সালের একটি প্রতিবেদন, রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন। ঈদুল ফিতরের দিন। প্রতিবেদনের দুখাই নামক (ছদ্দনাম) একটি মধ্যবয়সী লোক ডাস্টবিনের পাশে বসে কাঁঠাল খাচ্ছিলেন। পরনে ছেঁড়া প্যান্ট ছাড়া আর কিছু ছিলনা। কে এই লোক? কি তার পরিচয়? ঈদের দিন ডাস্টবিনের পাশে বসে কাঁঠাল খাচ্ছেন। ভাবতেই অবাক লাগে তাই না?
হ্যাঁ! এই অবাক লাগা বিষয়টি কিন্তুু সত্য। এই ঘটনা প্রতিনিয়ত আমরা দেখে যাচ্ছি নিশ্চুপ দর্শক হয়ে। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি কোনায় এমন ঘটনা ঘটে যাচ্ছে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ধরে। ঈদের দিন মানে তো খুশির দিন, নানা রঙের পোশাক আর বাহারি সব খাবার কত কিছু না তৈরি হচ্ছে আমাদের ঘরে। স্বজন, বন্ধু-বান্ধব একে অপরের ঘরে যাচ্ছে এবং আসছে। কত খুশি আর আনন্দ। ঈদে কতগুলো জামা আমরা আমাদের জন্য নিয়ে থাকি। কিন্ত আমাদের চার পাশের হতদরিদ্র মানুষ গুলোর দিকে কি আমাদের একবার ও নজর পরে না? কি অপরাধ ঐ বাচ্ছা ছেলেটার? যার বয়স ২-৪ বছর। দুনিয়াতে এসে কি ভুল করেছে সে? ঈদের দিন যখন তার সমবয়সী একটি ছেলে পিতার হাত ধরে মসজিদ থেকে বের হয় পরনে তার নতুন জামা, ঐ হতদরিদ্র ছেলেটি ধনীব্যক্তির ছেলেটিকে বার বার দেখে যায়, এবং তার পরনের ছেঁড়া জামাটিও।
নাম না জানা সে লোকটি যে কিনা ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া পঁচা কাঁঠাল খাছিলেন, যাকে দেখে আমার অনেকে পাগল মনে করি, কেউ বা নাক চেপে ধরে তার পাশ দিয়ে হেটে যাই, অনেকে বা হাসা-হাসি করি এগুলো দেখে। কত খাবার আর টাকা আমরা দিনের পর দিন অপচয় করে যাচ্ছি!! তার মধ্য থেকে খুব বেশি কিছু না, অতি সামান্য কিছু যদি আমরা তাদের জন্য খরচ করি তাহলে কি খুব বেশি ক্ষতি হয়ে যাবে আমাদের?
কি হয়ে গেল আমাদের মনুষ্যত্বের? ধনীরা দিনের পর দিন ধনী হয়ে যাচ্ছে আর দরিদ্ররা হতদরিদ্র, ওরা তো আমাদের মতোই মানুষ, তাইনা? তাহলে আমরা যা আমাদের জন্য চিন্তা করতে পারি তাদের জন্য কেন নই? আমরা চাইলে সব করতে পারি। তাদের জন্য একটা ভালো পরিবেশ আমাদের তৈরি করতে হবে। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে হবে।
![]() |
| ঈদের দিনে রাজধানীর কমলাপুরে একটি ডাস্টবিনে বসে কাঁঠাল খান এই ব্যক্তি। ছবি : মোহাম্মদ ইব্রাহিম |
কি হয়ে গেল আমাদের মনুষ্যত্বের? ধনীরা দিনের পর দিন ধনী হয়ে যাচ্ছে আর দরিদ্ররা হতদরিদ্র, ওরা তো আমাদের মতোই মানুষ, তাইনা? তাহলে আমরা যা আমাদের জন্য চিন্তা করতে পারি তাদের জন্য কেন নই? আমরা চাইলে সব করতে পারি। তাদের জন্য একটা ভালো পরিবেশ আমাদের তৈরি করতে হবে। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে হবে।
খুব বেশি কিছু না, নিজেদের থেকে সামান্য কিছু তাদের জন্য দিয়ে দুখাই নামের মানুষগুলোর হাসির কারণ আমরা চাইলে হতে পারি। মানুষ তো মানুষেরই জন্য।
ছবি
প্রিয়তে রাখা লেখাগুলো
-
সেদিন জ্যামটা একটু বেশিই ছিল। মিরপুর হয়ে মতিঝিল যাচ্ছিলাম তখন। ঝিঝি ডাকা দিন। দুপুর রোদ। গায়ে গায়ে লাগোয়া গাড়ির সারি। মানুষ হাটতে হাটতেই...
-
২৬ জুন ২০১৭ সালের একটি প্রতিবেদন, রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন। ঈদুল ফিতরের দিন। প্রতিবেদনের দুখাই নামক (ছদ্দনাম) একটি মধ্যবয়সী লোক ডাস্ট...
-
যারা মনে করে সুখ তাদের পকেটে গোছগাছ করে রাখা টাকা গুলোর মধ্যেই আবদ্ধ থাকে, তারা ভুলের মধ্যে আছে। আমাদের চাওয়া পাওয়া কি টাকা-পয়সা, গাড়ী- ব...


